• বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন

বিয়ানীবাজারে নির্ধারিত সময়ে বই প্রাপ্তি নিয়ে অনিশ্চিতয়তা

সামিয়ান হাসান / ১৮১ Time View
Update : রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪

নতুন বছর শুরু হতে বাকি মাত্র দেড় মাস। বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের নতুন বই দিতে হলে এ সময়ের মধ্যে ছাপানোর কাজ এবং পাঠানো সম্পন্ন করতে হবে বিনা মূল্যের ৪০ কোটির বেশি পাঠ্যবই। অথচ এখনো চলছে বই ছাপার দরপত্রপ্রক্রিয়া, পাণ্ডুলিপি সংশোধন ও পরিমার্জনের কাজ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুই মাসে ৪০ কোটির বেশি পাঠ্যবই ছাপানোর সক্ষমতা দেশের মুদ্রণ ব্যবসায়ীদের নেই। এ ছাড়া এই সময়ে চাহিদামতো মানের এত কাগজ পাওয়া নিয়েও সংকট হতে পারে। ইতোমধ্যে পাণ্ডুলিপির সিডি দেওয়া হচ্ছে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে। তাই আগামী ১ জানুয়ারির আগে সব বই মাঠপর্যায়ে পৌঁছানো ও বিতরণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।


সারাদেশের ন্যায় বিয়ানীবাজার উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকেও নির্ধারিত বইয়ের চাহিদা উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরবার প্রেরণ করা হয়েছে। এই উপজেলায় মাধ্যমিকে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার ও প্রাথমিকে প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার বইয়ের চাহিদা। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ বই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাওয়া নিয়ে এখন অনিশ্চয়তা। তবে যথাসময়ে বই পাবেন বলে আশাবাদী এই শিক্ষা কর্মকতা।


বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান নির্ধারিত সময়েই সব বই ছাপার কাজ শেষ হবে এবং শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো সম্ভব হবে জানিয়ে বলেন, বই ছাপানোর কাজ দ্রুত করতে এবার বড় মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি শিট মেশিনেও ছাপানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানকেও কাজ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category