সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন পনেরো বছরের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্তঃসত্ত্বা ওই মেয়েটি ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বলে জানা যায়। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সিলেট এয়ারপোর্ট থানার দরগাবাড়ি রামপুর এলাকার ডা. আব্দুল হেকিমের ছেলে আব্দুল হালিম (৩৫)।
ভুক্তভোগীর পিতা শায়েস্তা মিয়া বলেন, ‘সিলেট এয়ারপোর্ট থানার দরগাবাড়ি রামপুর এলাকার ডা. আব্দুল হেকিমের ছেলে নাম আব্দুল হালিম তার ছোট বোনের জামাই। শায়েস্তা মিয়ার পরিবারের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকায় আসা-যাওয়া ছিল অবাধে। পরিবারের কেউ কখনও এইসব বিষয়ে কোনো সন্দেহ করেন নি। কিন্তু শায়েস্তা মিয়ার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে নানা কৌশল অবলম্ভন করে দীর্ঘদিন থেকে অবৈধ মেলামেশা করে আসছে । এই বিষয়টি পরিবারের কেউ জানতেন না। যখন স্কুল পড়ুয়া মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে তখন বিষয়টি পরিবারের নজরে আসলে মেয়েকে জিজ্ঞাসা করা হয়। তখন মেয়ে বলে যে, তার ছোট ফুফুর জামাই আব্দুল হালিম তার সাথে খারাপ কাজ করেন। পরবর্তীতে এই ঘটনায় শায়েস্তা মিয়া বাদী হয়ে সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার (২৫ জুন) বিকেল ৩টার দিকে স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষনের অভিযোগে আব্দুল হালিমকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি ভুক্তভোগী ওই মেয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করা হবে।