চাঁদপুরের মেঘনায় বহুল আলোচিত এমভি আল-বাখেরা জাহাজে সাত খুনের ঘটনায় আকাশ মণ্ডল ওরফে ইরফানকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বাগেরহাটের চিতলমারী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে কুমিল্লার র্যাব-১১-এর পাঠানো এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার কুমিল্লায় ব্রিফিং করবে র্যাব-১১।
গ্রেপ্তার ইরফান খুন হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে ছিলেন। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।
এর আগে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীতে সার বহনকারী জাহাজ থেকে সাতজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) জাহাজের মালিক মাহাবুব মুর্শেদ হাইমচর থানায় অজ্ঞাতনামা ডাকাত দলকে আসামি করে মামলা করেন।
বাদী মাহবুব মুর্শেদ মামলার এজাহারে জাহাজে খুন হওয়া সাতজন এবং আহত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেন।
খুনের শিকার ব্যক্তিরা হলেন- মাস্টার গোলাম কিবরিয়া, গ্রিজার মো. সজিবুল ইসলাম, লস্কর মো. মাজেদুল ইসলাম, সালাউদ্দিন, আমিনুর মুন্সী ও বাবুর্চি রানা কাজী।
এ ছাড়া আহত ব্যক্তি হলেন সুকানি মো. জুয়েল। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের সেকান্দার প্রকাশের ছেলে।
মাহবুব মুর্শেদ এজাহারে আরও উল্লেখ করেন, আহত জুয়েলের গলা কাটায় রক্তাক্ত জখম হওয়ায় ডাকাত দলের বিস্তারিত বিবরণ দিতে পারেনি। তিনি সুস্থ হলে ডাকাত দল দেখলে চিনবেন বলে ইশারায় জানিয়েছেন। তবে জুয়েলদের সঙ্গে ৯ জন ছিলেন বলে লিখে জানান এবং ৯ নম্বর ব্যক্তি হচ্ছেন ইরফান। তার ঠিকানা দিতে পারেনি জুয়েল।
নৌপুলিশ জানিয়েছে, আহত জুয়েল বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে চিকিৎসাধীন।