সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের কয়েকটি ফ্লোর খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আংশিক দাপ্তরিক কাজ চলছে সেখানে।
রবিবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন গণপূর্ত সচিব আবদুল হামিদ খান ও শ্রম সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
গণপূর্ত সচিব জানান, ভবনের পুড়ে যাওয়া উপরের চারটি ফ্লোর মেরামতের কাজ হচ্ছে। আগামী দুই সপ্তাহ পর কাজ শুরু করা যাবে।
আর শ্রম সচিব জানান, পূর্নাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে কোন মন্ত্রণালয়ের কতটুকু ক্ষতি হয়েছে।
গত ২৫ ডিসেম্বর রাতে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুন লাগার ১১ দিন পর রবিবার থেকে খুলে দেওয়া হলো ভবনটি। পুড়ে যাওয়া ৬, ৭, ৮ এবং ৯ তলা ছাড়া নিচের পাঁচটি ফ্লোরে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছে মন্ত্রণালয়গুলো।
কাজ শুরু হলেও এখনো নিচের কয়েকটি ফ্লোর ধোয়ামোছার কাজ চলছে। ছাই, ভাঙা কাঁচ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এসব তলায়। বিদ্যুৎ সংযোগ, ইন্টারনেটসেবাসহ পানির লাইন সচল করার কাজ চলছে কয়েকটি কক্ষে।
ভবন পরিদর্শনে এসে গণপুর্ত সচিব আবদুল হামিদ খান জানান, কয়েকটি ফ্লোরে কাজকর্ম শুরু হলেও পুরো ভবনে কাজ শুরু হতে ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগবে।
আগুনে প্রায় শতভাগ পুড়ে গেছে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিবের রুম। এই মন্ত্রণালয়ের নথিপত্রসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে সেগুলো জানতে আলাদা দুটি কমিটি করা হয়েছে বলে জানান শ্রম সচিব।
আগুন লাগার ঘটনার চারদিন পর প্রাথমিক প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার প্রমাণ মিললেও পুর্নাঙ্গ তদন্তের জন্য সিঙ্গাপুর এবং ইন্দোনেশিয়ায় পাঠানো হয়েছে আলামত। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সেই প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর নজিরবিহীন এই ঘটনার সঠিক তথ্য জানা যাবে বলে মনে করছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।